শ্রম
আইন অনুসারে আট প্রকার ছুটির হিসাব
শ্রম আইন অনুসারে আট প্রকার ছুটির বিবরণঃ
১। মাতৃত্বকালীন ছুটি।
২। সাপ্তাহিক ছুটি।
৩। নৈমেত্তিক ছুটি। (বৎসরে ১০ দিন -পূর্ন বেতনে)
৪। অসুস্থতা ছুটি।
৫। বাৎসরিক ছুটি।
৬। উৎসব ছুটি।
২। সাপ্তাহিক ছুটি।
৩। নৈমেত্তিক ছুটি। (বৎসরে ১০ দিন -পূর্ন বেতনে)
৪। অসুস্থতা ছুটি।
৫। বাৎসরিক ছুটি।
৬। উৎসব ছুটি।
৭। ক্ষতিপূরণমূলক ছুটি।
৮। অস্থায়ী অক্ষমতা ছুটি।
৮। অস্থায়ী অক্ষমতা ছুটি।
১। মাতৃত্বকালীন ছুটি (Maternity Leave):
বাংলাদেশ শ্রম আইনের প্রথমে মাতৃত্বকালীন ছুটির কথা
বলা আছে।
শ্রম আইনের ধারা-৪৬ অনুযায়ী একজন নারী কর্মী মোট
১৬ সপ্তাহ (১১২ দিন)
মাতৃত্বকালীন ছুটি পাইবেন।
২। সাপ্তাহিক ছুটি (weekly Leave):
বাংলাদেশ শ্রম আইনের ১০৩ ধারাতে সাপ্তাহিক ছুটি নিয়ে
আলোচনা করা হয়েছে।
কারখানা এবং সড়ক পরিবহনের কর্মীরা এক দিন এবং দোকান,বাণিজ্যিক এবং শিল্প
কারখানা এবং সড়ক পরিবহনের কর্মীরা এক দিন এবং দোকান,বাণিজ্যিক এবং শিল্প
প্রতিষ্ঠানের কর্মীরা দেড় দিন করে সাপ্তাহিক ছুটি
পাবে।
৩। নৈমেত্তিক ছুটি (Casual Leave):
ধারা-১১৫ অনুযায়ী একজন কর্মী ১০ দিন নৈমেত্তিক ছুটি
পাইবার অধিকারী হইবেন।
তবে কোন কর্মী বছরের মাঝামাঝি সময়ে যোগদান করলে তিনি আনুপাতিক হারে নৈমেত্তিক ছুটি পাইবেন।
তবে কোন কর্মী বছরের মাঝামাঝি সময়ে যোগদান করলে তিনি আনুপাতিক হারে নৈমেত্তিক ছুটি পাইবেন।
৪। অসুস্থতা ছুটি (Sick Leave):
একজন কর্মী শ্রম আইনের ১১৬ ধারা অনুযায়ী ১৪ দিন অসুস্থতা
ছুটি পাইবেন।
উক্ত ছুটি পেতে হলে একজন কর্মীকে ডাক্তারের প্রত্যয়নপএ
প্রদর্শন করতে হবে।
৫। বাৎসরিক ছুটি (Annual Leave):
কোন প্রাপ্ত বয়স্ক শ্রমিক প্রতি এক মাস কার্য
দিবসে ১.৫ দিন ছুটি তথা বছরে ১৮ দিন ছুটি পাইবেন।
৬। উৎসব ছুটি (Festival Leave):
বাংলাদেশ শ্রম আইনের ১১৮ ধারা অনুযায়ী একজন কর্মী
১১ দিন উৎসব ছুটি পাইবেন।
প্রতি বছর ৩১শে ডিসেম্বরের মধ্যে উক্ত ছুটির দিনগুলো
নির্ধারন করতে হবে।
৭। ক্ষতিপূরণমূলক ছুটি (Compensatory leave) :
শ্রম আইনের দুটি ধারাতে ক্ষতিপূরন ছুটি দেয়ার কথা
বলা আছে।
সাপ্তাহিক ছুটি এবং উৎসব ছুটির ক্ষেএে ক্ষতিপূরণমূলক
ছুটি প্রদান করতে হবে।
৮। অস্থায়ী অক্ষমতা ছুটি (Temporary disability
leave):
শ্রম আইনের ৫ম তফসিলে উক্ত ছুটির বিষয়ে আলোচনা করা
হয়েছে।
১ বছরের বেশি কেউ উক্ত ছুটি পাইবেন না এবং পেশাগত
ব্যাধির জন্য উক্ত ছুটি ২ বছরের বেশি কেউ পাবেন না।
বাংলাদেশ শ্রম আইন ২০০৬ ও ২০১৩
ধারা-১০, এবং ধারা-১১ ছুটির পদ্ধতি ও অব্যয়িত ছুটির মজুরী প্রদান
ধার-১০ ছুটির পদ্ধতি:
(১) কোন শ্রমিক ছুটি নিতে ইচ্ছা করিলে তাহার
মালিকের নিকট লিখিতভাবে দরখাসদ করিতে হইবে এবং ইহাতে তাহার ছুটিতে অবস্থানকালীন ঠিকানা
উল্লেখ থাকিবে।
(২) মালিক বা তাহার নিকট হইতে ক্ষমতাপ্রাপ্ত
কোন কর্মকর্তা অনুরূপ দরখাস্ত প্রাপ্তির সাত দিনের মধ্যে অথবা ছুটি শুরু হওয়ার দুই
দিন পূর্বে, যাহা আগে সংঘটিত হয়, তাহার আদেশ প্রদান করিবেনঃ
তবে শর্ত থাকে যে, জরুরী কারণবশতঃ যদি প্রার্থীত
ছুটি দরখাসতেদর তারিখে অথবা উহার তিন দিনের মধ্যে শুরম্ন করিতে হয় , তাহা হইলে অনুরূপ
আদেশ দরখাসতদ প্রাপ্তির দিনেই প্রদান করিতে হইবে।
(৩) যদি প্রার্থীত ছুটি মঞ্জুর করা হয়,
তাহা হইলে সংশ্লিষ্ট শ্রমিককে একটি ছুটির পাস দেওয়া হইবে।
(৪) যদি প্রার্থীত ছুটি নামঞ্জুর বা স্থগিত
করা হয়, তাহা হইলে নামঞ্জুর বা স্থগিতাদেশের কারণসহ ইহা সংশ্লিষ্ট শ্রমিককে প্রার্থিত
ছুটি আরম্ভ হওয়ার তারিখের পূর্বে অবহিত করিতে হইবে এবং এতদুদ্দেশ্যে রক্ষিত রেজিস্টারে
ইহা লিপিবদ্ধ করিতে হইবে।
(৫) যদি কোন শ্রমিক ছুটিতে যাওয়ার পর ছুটির
মেয়াদ বর্ধিত করিতে চাহেন, তাহা হইলে তাহাকে, ছুটি পাওনা
থাকিলে, যুক্তি সংগত সময় পূর্বে রেজিষ্ট্রিকৃত ডাকযোগে লিখিতভাবে মালিকের নিকট দরখাস্ত করিতে হইবে এবং মালিককে ছুটি বর্ধিতকরণের
আবেদন মঞ্জুর বা না মঞ্জুর করিয়া শ্রমিকের ছুটির ঠিকানায় লিখিতভাবে জানাইতে হইবে।
ধারা-১১। অব্যয়িত ছুটির মজুরী প্রদানঃ
যদি কোন শ্রমিকের চাকুরী ছাটাই, ডিসচার্জ,
অপসারণ, বরখাস্ত, অবসর, পদত্যাগ বা অন্য কোন কারণে অবসান হয় এবং যদি তাহার কোন বাৎসরিক
ছুটি পাওনা থাকে, তাহা হইলে মালিক ঐ পাওনা ছুটির পরিবর্তে এই আইনের বিধান অনুযায়ী
ছুটিকালীন সময়ে উক্ত শ্রমিকের যে মজুরী প্রাপ্য হইত তাহা প্রদান করিবেন।
সংগৃহীতঃ
MD. IZABUL ALAM
PRINCIPAL
PGDHRMTI, GULSHAN-2,
DHAKA.

No comments:
Post a Comment